দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অনেক সমস্যা দেখা দিলেও, রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সকলে একত্রিত হয়ে মেনে নিয়েছেন এই লকডাউনকে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে যদি আপনার কোনও শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় তাহলে আপনার কী করণীয় সেটা নিশ্চয়ই ভাবছেন। কারণ, এই মুহূর্তে যেকোনও হসপিটাল বা ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়া করোনা হওয়ার ঝুঁকিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়টা কোনও চেম্বার বা হসপিটালে না এসে অপেক্ষা করতে পারলেই ভালো হয়।
সমস্যাটা হয় বাড়ির শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। ছোটখাটো অসুবিধে হলে না হয় চিকিৎসকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার মাধ্যমে কিছু ওষুধ খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি কিছু বাড়াবাড়ি হয় তাহলে উপায় কী? চেম্বার বা হসপিটালে নিয়ে যাওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনও পথ খোলা থাকে না। আপনাকেও যদি এই ধরনের অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন।

আমরা সকলেই জানি করোনা ভাইরাস কীভাবে সংক্রমিত হওয়া ব্যক্তির শরীর থেকে অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সংক্রমণ এড়াতে আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। এই ধরনের জরুরি অবস্থায় আপনি কোন কোন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন দেখে নিন আমাদের এই আর্টিকেলে। মেনে চললে সুস্থ থাকতে পারেন আপনিও।
যে জিনিসগুলি হাতের কাছে অবশ্যই রাখবেন :
হাত ধোওয়ার সাবান, অ্যালকোহল বেসড হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার এবং সাময়িক স্বস্তি পেতে যে ওষুধগুলো গ্রহণ করেছিলেন সেই সমস্ত ওষুধ সঙ্গে রাখবেন। সাবান, স্যানিটাইজার হাসপাতাল বা চেম্বারে থাকলে
কী করণীয়
১) চেম্বারে ঢোকার আগে নিজের হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেবেন।
২) হাত ধোয়ার পর ডিসপোজেবল টিস্যু পেপারে হাত মুছে নিন এবং সঠিক জায়গায় ফেলুন। কাপড় বা রুমাল দিয়ে হাত মুছবেন না।
৩) হাত মুছে ফেলার পর অ্যালকোহল বেসড স্যানিটাইজার ভালো করে হাতে লাগিয়ে নিন।
৪) চেম্বারে যদি বেশি লোক থাকে তাহলে বাইরে অপেক্ষা করাই ভালো। বসতে চাইলে অন্য রোগীদের থেকে এক মিটারের ব্যবধানে বসবেন।
৫) মুখে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন।
৭) ডাক্তারবাবুর রুমে ঢোকার আগে আরেকবার স্যানিটাইজার হাতে দিয়ে নিন।
৮) দেখানো হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আরেকবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগিয়ে বাড়ি ফিরবেন।
৯) বাড়ি ফিরে বাড়ির কোনও জায়গায় না বসে সোজা বাথরুমে গিয়ে স্নান করে নিন। সমস্ত জামাকাপড় সাবান দিয়ে কেচে নিন।
১১) চেম্বারে হাঁচি বা কাশি দিলে টিস্যু ব্যবহার করুন এবং তৎক্ষণাৎ টিস্যুটি উপযু্ক্ত স্থানে ফেলে দিন এবং হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন।
শিশুদের ক্ষেত্রে যা করবেন
১) শিশুদের হাতও ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে দিন।
২) চেম্বারে শিশুকে ছেড়ে দেবেন না। নিজের কোলেই শিশুকে রাখবেন। আবার অন্যের কোলেও শিশুকে দেবেন না।
৩) শিশুর মুখের লালা যেন চেম্বারের মধ্যে না পড়ে সেদিকে নজর রাখবেন।
৪) শিশু যদি একটু বড় হয় তবে তাকেও মাস্ক পরান। বাচ্চা যাতে তার আঙ্গুল মুখের ভেতরে প্রবেশ না করে সেদিকে নজর দেবেন।
৫) বাচ্চাকে নির্দিষ্ট জায়গায় আটকে রাখার ক্ষেত্রে কিছু খেলনা সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে প্রয়োজন ছাড়া সেগুলি বার করবেন না। বাড়ি থেকে নিয়ে আসার সময় খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে আসবেন এবং চেম্বার থেকে ফেরার পরেও খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে রাখবেন।
৬) ডাক্তার দেখানো হয়ে যাওয়ার পর একইভাবে বাচ্চার হাত পুনরায় সাবান জল দিয়ে ধুয়ে, মুছে দেবেন।
৭) বাড়ি ফিরে বাচ্চাকে গরম জলে স্নান করিয়ে দিন এবং তার কাপড় গুলি সাবান জল দিয়ে কেচে নিন।
বিভিন্ন চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী কোভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করতে এই ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে এই নিয়মগুলি কেবল করোনা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য যেকোনও জীবাণুর থেকে রক্ষা পেতে মেনে চলার প্রয়োজন
সমস্যাটা হয় বাড়ির শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। ছোটখাটো অসুবিধে হলে না হয় চিকিৎসকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার মাধ্যমে কিছু ওষুধ খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি কিছু বাড়াবাড়ি হয় তাহলে উপায় কী? চেম্বার বা হসপিটালে নিয়ে যাওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনও পথ খোলা থাকে না। আপনাকেও যদি এই ধরনের অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন।

আমরা সকলেই জানি করোনা ভাইরাস কীভাবে সংক্রমিত হওয়া ব্যক্তির শরীর থেকে অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সংক্রমণ এড়াতে আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। এই ধরনের জরুরি অবস্থায় আপনি কোন কোন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন দেখে নিন আমাদের এই আর্টিকেলে। মেনে চললে সুস্থ থাকতে পারেন আপনিও।
যে জিনিসগুলি হাতের কাছে অবশ্যই রাখবেন :
হাত ধোওয়ার সাবান, অ্যালকোহল বেসড হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার এবং সাময়িক স্বস্তি পেতে যে ওষুধগুলো গ্রহণ করেছিলেন সেই সমস্ত ওষুধ সঙ্গে রাখবেন। সাবান, স্যানিটাইজার হাসপাতাল বা চেম্বারে থাকলে
কী করণীয়
১) চেম্বারে ঢোকার আগে নিজের হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেবেন।
২) হাত ধোয়ার পর ডিসপোজেবল টিস্যু পেপারে হাত মুছে নিন এবং সঠিক জায়গায় ফেলুন। কাপড় বা রুমাল দিয়ে হাত মুছবেন না।
৩) হাত মুছে ফেলার পর অ্যালকোহল বেসড স্যানিটাইজার ভালো করে হাতে লাগিয়ে নিন।
৪) চেম্বারে যদি বেশি লোক থাকে তাহলে বাইরে অপেক্ষা করাই ভালো। বসতে চাইলে অন্য রোগীদের থেকে এক মিটারের ব্যবধানে বসবেন।
৫) মুখে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন।
৭) ডাক্তারবাবুর রুমে ঢোকার আগে আরেকবার স্যানিটাইজার হাতে দিয়ে নিন।
৮) দেখানো হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আরেকবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগিয়ে বাড়ি ফিরবেন।
৯) বাড়ি ফিরে বাড়ির কোনও জায়গায় না বসে সোজা বাথরুমে গিয়ে স্নান করে নিন। সমস্ত জামাকাপড় সাবান দিয়ে কেচে নিন।
১১) চেম্বারে হাঁচি বা কাশি দিলে টিস্যু ব্যবহার করুন এবং তৎক্ষণাৎ টিস্যুটি উপযু্ক্ত স্থানে ফেলে দিন এবং হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন।
শিশুদের ক্ষেত্রে যা করবেন
১) শিশুদের হাতও ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে দিন।
২) চেম্বারে শিশুকে ছেড়ে দেবেন না। নিজের কোলেই শিশুকে রাখবেন। আবার অন্যের কোলেও শিশুকে দেবেন না।
৩) শিশুর মুখের লালা যেন চেম্বারের মধ্যে না পড়ে সেদিকে নজর রাখবেন।
৪) শিশু যদি একটু বড় হয় তবে তাকেও মাস্ক পরান। বাচ্চা যাতে তার আঙ্গুল মুখের ভেতরে প্রবেশ না করে সেদিকে নজর দেবেন।
৫) বাচ্চাকে নির্দিষ্ট জায়গায় আটকে রাখার ক্ষেত্রে কিছু খেলনা সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে প্রয়োজন ছাড়া সেগুলি বার করবেন না। বাড়ি থেকে নিয়ে আসার সময় খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে আসবেন এবং চেম্বার থেকে ফেরার পরেও খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে রাখবেন।
৬) ডাক্তার দেখানো হয়ে যাওয়ার পর একইভাবে বাচ্চার হাত পুনরায় সাবান জল দিয়ে ধুয়ে, মুছে দেবেন।
৭) বাড়ি ফিরে বাচ্চাকে গরম জলে স্নান করিয়ে দিন এবং তার কাপড় গুলি সাবান জল দিয়ে কেচে নিন।
বিভিন্ন চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী কোভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করতে এই ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে এই নিয়মগুলি কেবল করোনা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য যেকোনও জীবাণুর থেকে রক্ষা পেতে মেনে চলার প্রয়োজন
0 Comments